মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে কেবল গরু, ছাগল মোটাতাজাকরণ দিয়ে দেখার সুযোগ নেই। এটাকে পুষ্টির মন্ত্রণালয় হিসেবেও দেখবেন। কারণ মানুষ ও প্রাণীর স্বাস্থ্য আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। অ্যানিমেলকে অসুস্থ্য রাখলে মানুষও সুস্থ থাকবে না। আবার অপুষ্টির ঘটনা আমিষ না খাওয়ার জন্যও ঘটছে। তবে সংবিধানে স্পষ্টভাবে আমাদের স্বাস্থ্যের অধিকারের কথা বলা হয়নি। ভোট ও কথা বলাসহ নানা অধিকার নিয়ে কথা হলেও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি আলোচনায় নেই। ফলে সংবিধানে জনগণের স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
আজ বুধবার (০৯ এপ্রিল ২০২৫) বিকেল ৪:০০টায় মিটিং সফটওয়ার জুমে আয়োজিত ‘স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি মৌলিক মানবাধিকার’ শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। সেন্টার ফর ল এন্ড পলিসি এফেয়ার্স (সিএলপিএ), পাবলিক হেলথ ল ইয়ার্স নেটওয়ার্ক ও স্বাস্থ্য আন্দোলন যৌথভাবে এ ওয়েবিনারের আয়োজন করে।
ওয়েবিনারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বলেন, জুলাইয়ে আহত অনেক তরুণ ১২/১৩টি অ্যান্টিবায়েটিক রেজিস্টার্ড ছিলো। যা ভয়াবহ। কারণ কৃষিতে প্রচুর কীটনাশক ব্যবহার হচ্ছে। প্রাণীর ফিডে অ্যান্টিবায়েটিক ব্যবহার হচ্ছে। আমরা আসলে স্বাস্থ্য সম্মত খাবারের অধিকার চাই। বিগত সরকার স্বস্থ্যের চেয়ে রাজস্বের দিকে বেশি জোর দিয়েছে। বর্তমানে আমরা স্বাস্থ্যের অধিকারের বিষয়টি বিবেচনা করছি। স্বাস্থ্য খাতের জন্য মৌলিককিছু পরিবর্তন করা প্রয়োজন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদেরকে এ বিষয়ে স্বাস্থ্য সংস্কার কমিটি ও সংবিধান সংস্কার কমিশন কাছে প্রস্তাব প্রেরণের আহ্বান জানাচ্ছি (বিস্তারিত)
Leave a Reply